সম্পাদকীয়

সংসদ হোক সকল বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু

কাজল ঘোষ | মতামত
আগস্ট ২৯, ২০২৬
সংসদ হোক সকল বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু

সকল বিতর্কের কেন্দ্র হবে সংসদ। এটি কেবল নেতাদের মেঠো বক্তৃতায় নয় প্রতিষ্ঠা হবে সংসদীয় রীতিতেও। সংসদে সরকার আর বিরোধীরা মন খুলে কথা বলবে, যুক্তি আর পাল্টা যুক্তিতে মাতিয়ে রাখবে। দুঃখজনক হচ্ছে ছাব্বিশ সালের আগে প্রায় প্রতিটি সংসদই ছিল একাংশের। সরকার পক্ষ থাকলে, বাইরে ছিল বিরোধী পক্ষ। সংসদে জাতীয় ইস্যু নিয়ে যত না কথা হয়েছে তারচেয়ে অনেক বেশি কথা হয়েছে রাজপথের মেঠো বক্তৃতায়। 
 

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পরিবর্তিত এক নতুন অধ্যায়ে বাংলাদেশ। এ সময়ে জনমানুষের প্রত্যাশাও বেড়েছে জাতীয় সংসদ নিয়ে। সকলেই প্রত্যাশা করেন সংসদই হবে সকল সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্র। যেমনটি বর্তমান সংসদেও হচ্ছে। বাজেট অধিবেশনের পর আবারো বসেছে জাতীয় সংসদ। এটি সংসদের তৃতীয় অধিবেশন। 
 

শুরুর দিনেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বক্তব্য ঘিরে উত্তাপ ছড়ায় সংসদে। বিরোধী দলের দু’জন সংসদ সদস্যের বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে পল্টন ও শাহবাগের বক্তব্যের সঙ্গে তুলনা করলে হইচই শুরু হয়। চলে হট্টগোল। স্পিকার ও বিরোধী দল নেতাও কথা বলেন। একসময় ওয়াকআউট করে বিরোধী দল। সংসদীয় রীতিতে দুনিয়া জুড়েই চলে এমন বাহাস তা দেশ চালনায় যেমন, আইন পাসের ক্ষেত্রেও ততটাই। বর্তমান সংসদ হাসি, আনন্দ আর নানামুখী বিতর্কে মাতোয়ারা থাকবে- এমনটাই প্রত্যাশা। 
 

একটি দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে নেপালে। হিমালয়ের অকস্মাৎ প্রলয়ঙ্করী ধসে নেপালের একটি পাহাড়ি এলাকায় হাজারো মানুষ হতাহত। নেপালের ঘটনায় শোকস্তব্ধ সর্বত্র। হতবিহ্বল নেপালি মানুষ ঘটনার তীব্রতায় ভাষা হারিয়ে ফেলেছে। এটা যেনো ধারণারও বাইরে। জমে থাকা হিমালয়ের হিমবাহ যেভাবে বিভীষিকা নিয়ে নেমেছে সেই ক্ষত অতিদ্রুত কাটিয়ে উঠুক সেখানকার মানুষ সেই প্রার্থনা রইলো।

 

মতামত'র অন্যান্য খবর