ইরান যুদ্ধ নিয়ে মহাবিপাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। সৌদি আরব ও ইসরাইলের উস্কানিতে তিনি এই যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে নিজের ভয়াবহ ক্ষতি করেছেন। ক্ষতি হয়েছে মার্কিন জনগণের। ক্ষতি হয়েছে বিশ্বের। আগামী নভেম্বরে মার্কিন কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচন। তার আগে ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে তার জনপ্রিয়তায় ভয়াবহ ধস নেমেছে। তিনি কোনোমতে যুদ্ধে তার বিজয় দাবি করে তা শেষ করার পথ খুঁজছেন। আস্তে আস্তে পরিষ্কার হচ্ছে ইরানের হামলা কতো ভয়াবহ ছিল। তারা সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতে যে ক্ষতি করেছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তা আগের অবস্থায় আসতে বহু সময় লাগবে বলে পূর্বাভাস দেয়া হচ্ছে খবরে। দেশের ভেতরে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, যুদ্ধ, ট্রাম্পের অসংলগ্ন সব হুমকি- দেশের ভেতরে ব্যাপক সমালোচনার মুখে তিনি। এমন অবস্থায় তিনি চীন সফরে এসেছেন। এখানে এসে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করে হাত মেলাচ্ছেন, হাসিমুখে কথা বলছেন। বোঝাতে চাইছেন- তাদের সম্পর্ক কতো মধুর, কতো গভীর। কিন্তু বিশ্ববাসী, চীনা নাগরিকরা নিশ্চয় ভুলে যাননি যে, এই ট্রাম্পই চীনের পণ্যের ওপর ১৪৫ ভাগ পর্যন্ত কর আরোপ করেছেন। ১৪ই মে’র বৈঠকে শি জিনপিং তাকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তাইওয়ান থেকে দৃষ্টি অন্যদিকে ফেরাতে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে। যদি তাইওয়ানের কাছে তারা অস্ত্র বিক্রি বন্ধ না করে, তাদেরকে সামরিক সহায়তা বন্ধ না করে তাহলে এই ইস্যুটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ পর্যন্ত গড়াতে পারে। কূটনীতিতে মাস্তানদের মতো হুমকি দেয়া যায় না। সেখানে পরিশীলিত শব্দের ব্যবহার হয়। তার অর্থ বুঝে নিতে হয়। তাইওয়ান ইস্যুতে শি জিনপিং যে বার্তা দিয়েছেন, তা সহজেই অনুমেয়, তাতে ট্রাম্প যতই হাসুন। তিনি সঙ্গে নিয়ে এসেছেন ইলন মাস্কের মতো বেশ কিছু ব্যবসায়ীকে। চীনকে টোপ দিয়েছেন বিনিয়োগের। যদি চীন এই টোপ গেলে, তাহলে তিনি দেশে ফিরে বিজয় দেখাতে পারবেন। চীনাদেরকে বোঝাতে চেয়েছেন এসব বিনিয়োগকারী চীনে বিনিয়োগ করতে এসেছেন। এসব নিয়ে সম্প্রতি নিউ ইয়র্ক টাইমসে একটি মন্তব্য প্রতিবেদন লিখেছেন কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির চীন-বিষয়ক ইতিহাসবিদ জুলিয়ান গেভির্টজ। তিনি বাইডেন প্রশাসনের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল ও স্টেট ডিপার্টমেন্টে চীন নীতি সংক্রান্ত জ্যেষ্ঠ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৩ই মে তিনি লিখেছেন, ডনাল্ড ট্রাম্প এক বছর আগে চীনের ওপর ১৪৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার পর চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জনগণকে প্রায় ৯০ বছর আগের মাও সে তুংয়ের একটি প্রবন্ধ আবার পড়ার আহ্বান জানায়। বেইজিং ডেইলি ঘোষণা করে, যুক্তরাষ্ট্রের ‘বিশৃঙ্খল’ আক্রমণের জবাব চীন কীভাবে দিচ্ছে এবং কেন শেষ পর্যন্ত চীন তার ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে ‘চূড়ান্ত বিজয়’ অর্জন করবে- তা বুঝতে এই লেখাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই ‘অবশ্যপাঠ্য’ লেখাটি ছিল মাও সে তুংয়ের ১৯৩৮ সালের প্রবন্ধ ‘অন প্রোট্র্যাকটেড ওয়ার’। সেখানে তিনি চীনে আক্রমণকারী জাপানি বাহিনীকে পরাজিত করার কৌশল তুলে ধরেন। মূলত এটি ছিল- কীভাবে অপেক্ষাকৃত দুর্বল অবস্থান থেকে চীন একটি শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে জীবন-মরণ লড়াইয়ে জয়ী হতে পারে- সেই চিন্তার ব্যাখ্যা।
শি জিনপিং বহুবার এই প্রবন্ধে মাওয়ের কৌশলগত দূরদর্শিতা, শৃঙ্খলা ও ধৈর্যের প্রশংসা করেছেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রকে মোকাবিলার ক্ষেত্রে চীনের যে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল, তার নির্দেশক কাঠামো হিসেবেই এই প্রবন্ধকে দেখা হচ্ছে। শি বিশেষভাবে মাওয়ের সেই ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন, যেখানে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতকে তিনটি ধাপে ব্যাখ্যা করা হয়-
প্রথমে দুর্বল চীন রক্ষণাত্মক অবস্থানে থাকবে,
এরপর সমশক্তির প্রতিপক্ষের মধ্যে অচলাবস্থা তৈরি হবে,
এবং শেষ পর্যন্ত শক্তিশালী চীনের পাল্টা আক্রমণের মাধ্যমে বিজয় আসবে।
চীনের নেতারা এখন আর আত্মরক্ষার পর্যায়ে নেই। তারা মাওয়ের তত্ত্বের দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করেছেন।
উৎপাদন, প্রযুক্তি, সামরিক শক্তি এবং কূটনৈতিক প্রভাব- সব ক্ষেত্রেই চীন এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। অর্থনীতি ধীরগতির হলেও এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সঙ্গে উত্তেজনা অব্যাহত থাকলেও ওয়াশিংটনের চাপ মোকাবিলায় চীন আরও সহনশীল হয়ে উঠেছে। গত বছরের বাণিজ্য সংঘাতে শি জিনপিং সহজেই ট্রাম্পকে কৌশলে হারিয়ে দেন। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের পাল্টা জবাবে চীন আধুনিক প্রযুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ খনিজ রপ্তানিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে, যার ফলে ট্রাম্পকে পিছু হটতে হয়।
বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে শি জিনপিং ট্রাম্পকে জাঁকজমকপূর্ণ অভ্যর্থনা জানান। কিন্তু চীনা নেতা সম্ভবত এই সফর এবং সামগ্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে- স্থায়ী সমঝোতা বা পুনর্মিলনের সময় হিসেবে দেখছেন না। বরং এটি তার কাছে দীর্ঘমেয়াদি শক্তি-পরীক্ষার মধ্যে সাময়িক বিরতি মাত্র।
এই নতুন কৌশলগত অচলাবস্থার সময়ে শি জিনপিংয়ের মূল লক্ষ্য হলো- যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় চীনের শক্তি আরও বাড়ানোর জন্য সময় কেনা। পাশাপাশি সুযোগ পেলেই ট্রাম্পের কাছ থেকে কিছু ছাড় আদায় করা। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ কমানো এবং তাইওয়ানের কাছে ওয়াশিংটনের অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করা।
ট্রাম্পের এই সফরে বড় ধরনের সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবুও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট দুর্বল অবস্থায় বেইজিং এসেছেন। ইরানের সঙ্গে ব্যয়বহুল যুদ্ধ, যার কারণে ট্রাম্পকে তার বেইজিং সফর কয়েক সপ্তাহ পিছিয়ে দিতে হয়েছে, সেই যুদ্ধ দেশে তার জনপ্রিয়তাকেও আঘাত করেছে। ফলে সফরটিকে সফল হিসেবে তুলে ধরার প্রবল প্রয়োজন ট্রাম্পের রয়েছে। আর এটিই শি জিনপিংয়ের জন্য বড় কৌশলগত সুবিধা।
এই দিকগুলো থেকে বলতে গেলে, শি জিনপিং ট্রাম্পকে ঠিক সেই অবস্থানেই নিয়ে এসেছেন, যেখানে তিনি তাকে দেখতে চেয়েছিলেন। আজকের চীনে ‘অন প্রোট্র্যাকটেড ওয়ার’ প্রবন্ধটির দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব আসলে মাওয়ের সেই নীতির প্রতিফলন- ‘অতীতকে বর্তমানের সেবায় ব্যবহার করা।’ বহু দশক আগের ঐতিহাসিক ও আদর্শিক ধারণাগুলো এখনো কমিউনিস্ট পার্টির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত লক্ষ্যকে বৈধতা দেয়ার এবং জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করার গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।
শি জিনপিং মনে হয় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতাকে সেই দীর্ঘমেয়াদি সংগ্রামের দৃষ্টিভঙ্গিতেই দেখছেন, যেটি প্রায় এক শতাব্দী আগে মাও চীনের কৌশল নির্ধারণের জন্য তৈরি করেছিলেন। তিনি এবং অন্য শীর্ষ কর্মকর্তারা অর্থনৈতিক ও কৌশলগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই প্রবন্ধকে দিকনির্দেশনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পার্টির ঘনিষ্ঠ বিশিষ্ট চীনা শিক্ষাবিদরাও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ব্যাখ্যা করতে বারবার এই লেখার প্রসঙ্গ টানেন। গত সেপ্টেম্বরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির ৮০ বছর উপলক্ষে বেইজিংয়ে আয়োজিত বিশাল অনুষ্ঠানে মাওয়ের এই লেখার অসংখ্য উল্লেখ ছিল।
অন্যদিকে ট্রাম্পের মনোযোগ মূলত বাহ্যিক চাকচিক্য এবং দ্রুত সাফল্যের দিকে। তিনি চান চীন আরও বেশি মার্কিন পণ্য কিনুক এবং মার্কিন কোম্পানিগুলোর সঙ্গে নতুন বাণিজ্য চুক্তি করুক। ২০১৭ সালে তার শেষ চীন সফরের সময় যে রাজকীয় আয়োজন করা হয়েছিল, তা নিয়েও তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ যেসব বিষয়- যেমন তাইওয়ানের ওপর চীনের চাপ, দক্ষিণ চীন সাগরে আগ্রাসী ভূখণ্ড দাবি, কিংবা চীনভিত্তিক গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আনা সাইবার হামলার অভিযোগ- এসব বিষয়ে ট্রাম্পকে খুব একটা আগ্রহী মনে হয় না।
যুক্তরাষ্ট্রের হাতে চীনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার মতো শক্তিশালী হাতিয়ার রয়েছে- উন্নত সেমিকন্ডাক্টরে প্রবেশাধিকার থেকে শুরু করে ডলারের বৈশ্বিক আধিপত্য পর্যন্ত। কিন্তু বর্তমানে ট্রাম্প সেগুলো ব্যবহারে তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। ট্রাম্পের এই স্বল্পদৃষ্টিসম্পন্ন আচরণ শি জিনপিংয়ের বৃহত্তর লক্ষ্য পূরণেই সহায়তা করছে। চীনা নেতা বিশ্বাস করেন, যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা শেষের পথে। এরপর কী হবে, সেটি এখনো নির্ধারিত হয়নি।
সম্ভবত প্রথমবারের মতো শি এখন এমন একটি পথ দেখতে পাচ্ছেন, যার মাধ্যমে তিনি কয়েকটি বড় লক্ষ্য অর্জন করতে পারেন- যেমন এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের জোটগুলো দুর্বল করা, তাইওয়ানের প্রতি আমেরিকার সমর্থন কমিয়ে আনা এবং প্রযুক্তি রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে চীনের উত্থান ঠেকানোর ওয়াশিংটনের সক্ষমতা দুর্বল করা।
রক্ষণাত্মক অবস্থান পেরিয়ে অচলাবস্থার পর্যায়ে পৌঁছে শি এখন ধীরে ধীরে সেই দিনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যখন চীন যথেষ্ট শক্তিশালী হয়ে পাল্টা আক্রমণে নামতে পারবে। মার্চ মাসে চীন সরকার নতুন পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে, যার লক্ষ্য শিল্প, প্রযুক্তি ও সামরিক সক্ষমতা আরও বাড়ানো।
চীন একই সঙ্গে রাশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, লাতিন আমেরিকা এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করছে। এসব সম্পর্ক বেইজিংকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব মোকাবিলায় সহায়তা করবে। পাশাপাশি ট্রাম্প যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের দূরে ঠেলে দিচ্ছেন, চীন সেটিরও সুবিধা নিচ্ছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে শি জিনপিং কানাডা, বৃটেন ও জার্মানির নেতাদের বেইজিংয়ে আতিথ্য দিয়েছেন। ট্রাম্পের সফরের আগেই এসব সফরের আয়োজন করে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান বিচ্ছিন্নতাকেই তুলে ধরতে চেয়েছেন।
এদিকে ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার মধ্যে বিশ্বের বহু দেশ জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়াতে চীনের দিকে ঝুঁকছে, কারণ সবুজ প্রযুক্তিতে চীনের অবস্থান এখন প্রভাবশালী। অন্যদিকে ট্রাম্পের বেছে নেয়া ইরান যুদ্ধ দীর্ঘমেয়াদি চীন প্রতিযোগিতার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ ও সামরিক সরঞ্জাম অপচয় করছে। পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ন কমানোর মতো পদক্ষেপের মাধ্যমে তার প্রশাসন আমেরিকার শক্তির অন্য উৎসগুলোও দুর্বল করছে। চীনেরও বড় অভ্যন্তরীণ সমস্যা রয়েছে- বয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধি, পরিবারের ঋণের চাপ এবং দুর্বল ভোক্তা ব্যয়। তবুও চীনের নেতারা মনে করেন, আসলে দুর্বল হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রই।
চীনের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তামন্ত্রী চেন ইসিন ডিসেম্বর মাসে লিখেছেন, ‘আমেরিকার গণতন্ত্র বিকৃত হয়ে যাচ্ছে, অর্থনীতি ক্ষয়ে যাচ্ছে এবং সমাজ দ্রুত ভেঙে পড়ছে।’ তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ‘বিশ্বাসযোগ্যতা দ্রুত দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে, তার আধিপত্য ভেঙে পড়ছে এবং তার মিথ ধসে যাচ্ছে।’ অনেক আমেরিকান হয়তো এসব বক্তব্যকে শুধু প্রচারণা বলে উড়িয়ে দেবেন। কিন্তু আমাদের এই সম্ভাবনার মুখোমুখি হতে হবে যে, বিশ্বের অনেক দেশই হয়তো মনে করছে- এই প্রতিযোগিতায় চীনই জিতছে।
আর শি জিনপিং ট্রাম্পকে বেইজিংয়ে এনে সেই বার্তাটিই বিশ্বকে দেখাতে চাইছেন।