স ম্পা দ কী য়

কাজল ঘোষ | এক্সক্লুসিভ
জানুয়ারী ২৪, ২০২৬
স ম্পা দ কী য়

আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হয়েছে। লক্ষ্য একটাই। ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভোটারদের নিজ ব্যালটের পক্ষে রায় আনা। আর তা নিয়ে চলছে কথার মারপ্যাঁচও। রাজনীতিতে চলছে চাপান উতোর। ভোটের সময় এলেই ধর্মের কার্ড ব্যবহার করে কোমলমতি ভোটারদের কাছে টানার এক ধরনের চেষ্টা চলে সব সময়। যা নিয়ে চলে বিতর্কও। 

 

এবারে নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক প্রচারণার প্রথম দিন থেকেই এ নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিলেটে নির্বাচনী সমাবেশে কথা বলেছেন এ নিয়ে। জামায়াতে ইসলামীও মাঠ চষে বেড়াচ্ছে। নতুন গঠিত এনসিপি নির্বাচনী মাঠে তাদের জোট নিয়ে লড়ছে। 
 

একইসঙ্গে দু’টি বিষয়ে ভোট হচ্ছে একটি সাধারণ নির্বাচন আর অন্যটি গণভোট। সরকার নিজেই গণভোট নিয়ে মাঠে নেমেছে। বলা হচ্ছে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দিকে এগিয়ে যাবে দেশ। জুলাইয়ের বর্ষা বিপ্লবের মধ্যদিয়ে পরিবর্তন প্রত্যাশা নিয়ে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার বেশ কিছু বিষয়ে সংস্কার কমিশন গঠন করে। যার মাধ্যমে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রস্তাবনা থাকবে এই ভোটের ব্যালটে আলোচনায়। 
 

এই নির্বাচন আমরা মানি বা না মানি একটি বিতর্ক রয়েই গেছে আর তা হলো শেষ পর্যন্ত নির্বাচন সকলের অংশগ্রহণে হচ্ছে কিনা? বিগত নির্বাচনগুলোতে বিশেষ করে ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলো আমলে নিলে দেখা যায় আওয়ামী লীগ বিএনপি’র ভোটের ব্যবধান কাছাকাছি। কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ ভোটে না থাকলেও তাদের সমর্থকরা কোনো না কোনো ফর্মে কেন্দ্রে যাবে না- এটা এখনই বলা যায় না। কিন্তু এই ভোটারদের উপস্থিতি কোথাও কোথাও হিসাব বদলে দিতে পারে যা নিয়েও আলোচনা আছে। মাঠের আলোচনায় কিছু মানুষ এখনো সন্দেহের মধ্যেই আছে; শেষ পর্যন্ত কি হবে নির্বাচন। রাজনীতিতে শেষ বলে কিছু নেই। অপেক্ষা ১২ তারিখের। ছাপান্ন হাজার বর্গমাইল কোন পথে যাচ্ছে তা দেখার। প্রত্যাশা শান্তির পথে, গণতন্ত্রের পথে, প্রগতির পথে এগিয়ে যাবে দেশ। 
 

এক্সক্লুসিভ'র অন্যান্য খবর