চব্বিশে বাংলাদেশ ছাত্র আন্দোলন দেখেছে। শিক্ষার্থীদের কোটাবিরোধী আন্দোলন কীভাবে সরকার পতন আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। এরপরের পরিবর্তন সকলেরই জানা। বর্তমানে ফের আলোচনায় ছাত্ররাজনীতি। দুনিয়ার বহু দেশেই চলছে রাজপথে বিক্ষোভ। আর বিক্ষোভের নেতৃত্বে ছাত্ররাই। প্রতিবেশী দেশ ভারতে ধারাবাহিক আন্দোলন শুরু করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। প্রথমে তারা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন শুরু করে বর্তমানে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে রাজপথে। অন্যদিকে ইউরোপে শুরু হয়েছে তুমুল ছাত্র বিক্ষোভ। উত্তাল প্যারিস। একইভাবে চলছে ইতালি, গ্রীস, বেলজিয়াম, পর্তুগালেও। প্যারিসে আন্দোলনের শুরু শিক্ষা ও আবাসন সংকট, বেকারত্ব ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে। এসব বিক্ষোভে তরুণদের অংশগ্রহণ লক্ষ্য করার মতো। সেখানে ১৭ই অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ১১০টির বেশি বিক্ষোভে প্রায় ছয় লাখ মানুষ অংশ নিয়েছে। এসব বিক্ষোভে সম্পদের হানি ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে। দুশ্চিন্তার ভাঁজ ম্যাক্রোন সরকারে। সব ছাপিয়ে ইউরোপের দেশে দেশে এই আন্দোলন বেশ কিছু প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে। কীভাবে তরুণদের সম্মানজনক জীবন নিশ্চিতে কাজ করবে রাষ্ট্র এবং কীভাবে সামাজিক বৈষম্য কমাবে?
২.
রাড্ডা থেকে ঘুণ্টিঘর। স্বাস্থ্যকেন্দ্র দখল থেকে মাদকবিরোধী অভিযান। আলোচনার কেন্দ্রে পৃথক দু’টি ঘটনা। দু’টি ঘটনারই প্রেক্ষাপট ভিন্ন। দু’টি ঘটনাতেই সরকারের অবস্থান স্পষ্ট। কড়া বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সময় নেননি। ত্বরিত ব্যবস্থায় সরকার সুশাসন প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সেই মনোভাবেরই প্রকাশ ঘটেছে। একটি ঘটনা ঘটার পর অতিদ্রুত ব্যবস্থা নেয়ায় সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তৃণমূল পর্যন্ত বার্তা পৌঁছে দেয়া হয়েছে- কোনো অন্যায় করে রেহাই পাওয়া যাবে না।
৩.
হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দুর্গোৎসব ধুমধামের সঙ্গে পালিত হয়েছে। দেশ জুড়ে এবার নিশ্চিন্ত এবং নির্ভার যাপন ছিল লক্ষণীয়। এবারই প্রথম তিনদিন ছিল পূজায় সরকারি ছুটি। যা ছিল এই সম্প্রদায়ের প্রাণের দাবি। এর সঙ্গে পূজায় সরকারি বরাদ্দও বেড়েছে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী ঢাকার বাইরে এই প্রথমবারের মতো পূজামণ্ডপে গেছেন। সবমিলিয়ে আনন্দময় ছিল পূজা। সরকার প্রধান, বিশেষত প্রধানমন্ত্রী এজন্য বড় ধন্যবাদ পেতে পারেন।