এ এক ইতিহাস। এই ইতিহাসের নায়ক তারেক রহমান। দেশের মাটিতে নেমেই প্রথম জনতাকে জানিয়েছিলেন, আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান। দেশ গড়ার প্ল্যান। দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাস জীবন, দেশে ফেরার পর মায়ের মৃত্যু। একের পর এক ধকল গেছে তার ওপর। এরপরই বিরামহীন নির্বাচনী প্রচারণা। এই প্রচারণায়ও ছিল নতুনত্ব। মূল কথা ক্যারিশম্যাটিক এক তারেক রহমানকে দেখছে দেশবাসী। নির্বাচনে ভূমিধস জয় তার ক্যারিশমারই ফসল। অন্যদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছিল দেশের ইতিহাসে অন্যরকম এক নির্বাচন। যেখানে ছিল না হানাহানি ও রক্তপাত। ছিল শুধু উৎসব আর উৎসব। এমন শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেশের নির্বাচনের ইতিহাসকে পাল্টে দিয়েছে। নির্বাচনে বেসরকারিভাবে ২১৩ আসনে বিএনপি ও বিএনপি সমর্থিত জোটের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত জোটের প্রার্থীরা ৭৭ আসনে বিজয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে জামায়াত-৬৮, এনসিপি-৬, খেলাফত মজলিস-৩ আসনে জয়ী হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ৮ আসনে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একজন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। তারেক রহমানের ক্যারিশমা বিএনপিকে নিয়ে গেছে অনন্য এক উচ্চতায়। এমন বিজয়ে সরকার গঠনের নিরঙ্কুশ সমর্থন পেয়েছে বিএনপি। নির্বাচনে ঢাকা ও বগুড়ার দুই আসন থেকে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ঢাকার দুই আসন থেকে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান ও এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এ নির্বাচনে শুধু বিএনপিই নয়, জামায়াতে ইসলামীও সংসদে বিরোধী দলের আসন পোক্ত করেছে। সব মিলিয়ে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণের পথে এগুচ্ছে দেশ। মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র বলেছিলেন, আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম। সতেরো বছর পর দেশের মাটিতে পা রেখে তারেক রহমান ২৫শে ডিসেম্বর জনতার উচ্ছ্বাস ধারণ করে বলেছিলেন, আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান। কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর ক্ষণ শুরু। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের অভিনন্দন। দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হলো।